About 4 weeks ago 31 Views

Verified User
*
Md. Redowan Islam
আমি টিপসরেইন.কম এর একজন নতুন সদস্য।আমার ইচ্ছা হলো এই টিপসরেইন.কমকে একটি বড় ট্রিক সেন্টারে পরিনত করা।আর আপনারা আমার জন্য সকলে দোয়া করবেন।সময় পেলে আমার ছোট সাইটটিতে ঘুরে আসুন। http://redowan.wapkiz.mobi/index.html
Home » Hadith & Quran » ***এই ইসলামিক পোষ্টটি পড়লে আপনার জীবন ৯৯% পালটে যাবে,,,

“আসসালামু আলাইকুম”
আজকের পোষ্ট অতি বড়।তাই মুল বিষয়ে চলে যাচ্ছি।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম
হযরত আনাস (রাঃ) হইতে
বর্ণিত আছে যে, “মাটি
প্রতিনিয়ত উচ্চঃস্বরে দশটি
বাক্য ঘোষণা করে –
★(১) হে আদম সন্তান! আজ
আমার পিঠে লাফালাফি
দৌড়াদোড়ি করছো কিন্তু
অতি সত্বরই তোমাকে আমার
মধ্যে প্রবেশ করতে হবে।
★(২) আজ আমার পৃষ্ঠে
পাপকাজ করছো, কিন্তু
আমার অভ্যন্তরে তোমাকে
আযাব করা হবে।
★(৩) আজ আমার পৃষ্ঠে হাস্য-
কৌতুল করছো, কিন্তু আমার
অভ্যন্তরে তোমাকে
কান্নাকাটি করতে হবে।
★(৪) আজ আমার পৃষ্ঠে হারাম
মাল আরামে ভক্ষণ করছো,
কিন্তু আমার অভ্যন্তরে
দুঃখিত ও চিন্তিত অবস্হায়
থাকতে হবে।
★(৫) হে আদম সন্তান! তুমি
আমার পৃষ্ঠে আনন্দে ও
মহাসুখে কালাতিপাত
করছো, কিন্তু আমার
অভ্যন্তরে দুঃখিত ও
চিন্তিত অবস্হায় থাকতে
হবে।
★(৬) আজ আমার পিঠে হারাম
বস্তু আরামে ভক্ষণ পরে
দেহকাঠামো হৃষ্ট-পুষ্ট
করছো। কিন্তু কালউ তা
আমার অভ্যন্তরে বিগলিত
হয়ে যাবে।
★(৭) আজ আমার পৃষ্ঠে
অহঙ্কার ও গৌরব করছো,
কিন্তু কালই তোমাকে
আমার অভ্যন্তরে লাঞ্ছিত,
পদদলিত ও অপদস্হ হতে হবে।
★(৮) আজ আনন্দ ও
উৎফুল্লচিত্তে আমার পৃষ্ঠে
সানন্দে বিচরণ করছো, কিন্তু
কালই তোমাকে আমার
ভিতরে দুশ্চিন্তার
মহাসাগরে হাবুডুবু খেতে
হবে।
★(৯) আজ ভূ-পৃষ্ঠে আলোর
বন্যায় বিচরণ করছো কিন্তু
কালই তোমাকে আমার
অভ্যন্তরে ঘোর অন্ধকারে
পড়ে থাকবে।
★(১০) আজ আমার পৃষ্ঠে
সদলবলে চলাফিরা করছো,
কিন্তু আমার অভ্যন্তরে
তোমাকে নিঃসঙ্গ একা
পড়ে থাকতে হবে।
_____
আপনাকে এ লেখাটি
শয়তান কখনো শেয়ার করতে
দিবেনা। কিন্তু আপনাকে
শেয়ার করতেই হবে।
এক জান্নাতি যুবকের গল্প।
_____
পেশায় তিনি একজন রাখাল।
মদীনার এক গ্রামে থাকেন।
সরল সাদাসিধা জীবন।
তেমন পরিচিত কেউ নন।
সবাই তাঁকে ভালো করে
চিনেও না। বড় বড় কাজে
অন্যদের যেমন ডাক পড়ে,
তেমনভাবে তাঁকে খোঁজও
করা হয় না।
দিনের বেলায় ছাগল চরান।
সামান্য ফসলের জমি
চাষবাস করেন। দূরে
পাহাড়ী ঢালে, মাঠে-
প্রান্তরে যাতায়াত করেন।
তার সাথে থাকে একপাল
ছাগল। কখনো কখনো সেই
ছাগলের রশি হাতে নিয়েই
দিন পার করে দেন। কারো
সাতে-পাঁচে থাকেন না।
হৈ-হট্টগোল ঝামেলা থেকে
দূরে দূরেই থাকেন।
তিনি আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-
এর একজন সাহাবী। তার নাম
ওহাব ইবনে কাবুস। ওহাব
ইবনে কাবুস (রাঃ) এভাবেই
তার সরল জীবনটা কাটিয়ে
দিচ্ছিলেন।
উহুদ যুদ্ধের দিন।
ভাতিজাকে সঙ্গে নিয়ে
বাড়ী থেকে বের হয়েছেন
ওহাব (রাঃ)। তার সঙ্গে
একপাল ছাগল। একটি রশিতে
ছাগল গুলো বাঁধা। মদীনার
দিকে রওয়ানা দিলেন।
মদীনা শহরের কাছাকাছি
একটি মাঠে ছাগলগুলো
চরাবেন, এটাই তার ইচ্ছা।
উহুদ প্রান্তরে যে যুদ্ধ হচ্ছে,
এ সম্পর্কে তিনি জানেন
না।
ছাগলের পাল নিয়ে ওহাব
(রাঃ) যখন মদীনায় এসে
পৌঁছলেন, তখন মদীনা শহরে
থমথমে ভাব। লোকজন কম। পথ-
ঘাট ফাঁকা। রাসূলুল্লাহ
(সাঃ) নিজেও কি কোথাও
চলে গেলেন?
ওহাব ইবনে কাবুস (রাঃ)
পথে একজনকে পেয়েছিলেন।
মনের ভাবনাটা তাঁকে
বলেই ফেললেন—ভাই!
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এখন
কোথায় বলতে পারেন?
সাহাবীগণ-কে সঙ্গে নিয়ে
রাসূলে করীম (সাঃ) উহুদ
প্রান্তরে গিয়েছেন।
সেখানে মুশরিকদের সাথে
আজ মুসলমানদের যুদ্ধ হবে।
ওহাব (রাঃ) আর দেরী
করতে পারলেন না।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যুদ্ধে চলে
গেছেন আর তিনি মদীনায়
বসে বসে ছাগল চরাবেন, এটা
তিনি ভাবতেই পারলেন
না। সঙ্গে সঙ্গেই উহুদের
দিকে রওয়ানা দিলেন।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ওহাব
(রা) উহুদ প্রান্তরের পাশে
হাজির হলেন। দেখলেন
হাজার খানেক সাহাবী
কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ
করে যাচ্ছেন। যুদ্ধের তখন এক
কঠিন অবস্থা।
মুসলমানদেরকে শত্রুরা
ছত্রভঙ্গ করে ফেলেছে।
চারিদিক থেকে ঘিরে
ফেলেছে। ওহাব নিজেও
প্রান্তরে ঢুকে পড়লেন। দূরে
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে
দেখতে পেয়ে এগিয়ে
গেলেন। রাসূলের খুব কাছে
পৌঁছে গেলেন তিনি।
ঠিক এই মুহূর্তে একদল কাফের
মুসলমানদেরকে আক্রমণ
করতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর
দিকে এগিয়ে এল।
কাফেরদের মতলব ভয়ংকর।
তাঁরা সংঘবদ্ধভাবে
আল্লাহর রাসূলের উপর
আক্রমণ করতে চায়।
মুসলমানদের কাউকে শহীদ
করে দিয়ে আর কাউকে আহত
করে কাফেররা দ্রুত এগিয়ে
আসছে।
কাফেরদের এভাবে এগিয়ে
আসতে দেখে ওহাব (রাঃ)
ভিতরে ভিতরে চঞ্চল হয়ে
উঠলেন। এ সময় রাসূলুল্লাহ
(সাঃ) বললেন , “যে ব্যক্তি
এই কাফেরদের কে ছত্রভঙ্গ
করে দিতে পারবে,
বেহেশতে সে আমার সাথী
হবে।”
রাসূলের কথা শেষ হতেই
ওহাব (রাঃ) যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে
পড়লেন। খোলা তলোয়ার
হাতে আল্লাহর রাসূলের
শত্রুদের ধাওয়া করলেন।
কিছুক্ষণের মধ্যেই
কাফেরদের দল ছত্রভঙ্গ হয়ে
পালিয়ে গেল।
আল্লাহর রাসূল (সাঃ) দারুণ
খুশী হলেন। ওহাব (রাঃ)-কে
বেহেশতের সুসংবাদ
শোনালেন।
বেহেশতের সুসংবাদ পেয়ে
ওহাব (রাঃ) খুশীতে আনন্দে
আত্মহারা হয়ে গেলেন।
একেবারে সোজা শত্রুদের
মাঝে গিয়ে ঢুকে পড়লেন।
যুদ্ধ করতে লাগলেন। অসম
সাহসী বীরের মত যুদ্ধ করে
অনেক কাফের ধরাশায়ী
করে দিলেন । যুদ্ধ করতে
করতে এক সময় ওহাব ইবনে
কাবুস (রাঃ) নিজেও শহীদ
হয়ে গেলেন।
যুদ্ধ শেষে দেখা গেলো,
রাখাল ওহাব এক মহান
বীরের মত শুয়ে আছেন
রক্তের গালিচায়।
সাহসী বীর ওহাব (রাঃ)-এর
মাথার কাছে রাসূলে করীম
(সাঃ) এসে দাঁড়ালেন।
কান্না মাখানো গলায়
বললেন—ওহাব!আমি তোমার
প্রতি সন্তুষ্ট। আল্লাহও
তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে
যান।
ওহাব (রাঃ)-কে দাফন
করলেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ
(সাঃ)। দ্বীনের পথে এ বীর
শহীদের মর্যাদা উপলন্ধি
করলেন সব সাহাবী।
নারীরা কখনোই একাকী
ঘরের বাইরে যাবে না :
ব্যভিচারের প্রতি
নিকটবর্তী হওয়ার আর এক
পদক্ষেপ মহিলাদের
একাকিনী কোথাও বাইরে
যাওয়া-আসা। তাই ‘সুন্দরী
চলেছে একা পথে, সঙ্গী হলে
দোষ কি তাতে?’ বলে বহু
লম্পট তাদের পাল্লায় পড়ে
থাকে, ধর্ষণের হাত হতে
অনেকেই রক্ষা পায় না,
পারে না নিজেকে
‘রিমার্ক’ ও ‘টিস্’ এর
শিলাবৃষ্টি হতে বাঁচাতে।
এর জন্যই তো সমাজ-
বিজ্ঞানী আল্লাহর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন,
«
ﻱِﺫ َﻊَﻣ ﺎَّﻟِﺇ ُﺓَﺃْﺮَﻤﻟﺍ ِﺮِﻓﺎَﺴُﺗ َﻻ
ﺎَّﻟِﺇ ٌﻞُﺟَﺭ ﺎَﻬْﻴَﻠَﻋ ُﻞُﺧْﺪَﻳ َﻻَﻭ ،ٍﻡَﺮْﺤَﻣ
ٌﻡَﺮْﺤَﻣ ﺎَﻬَﻌَﻣَﻭ«َﻝﻮُﺳَﺭ ﺎَﻳ :ٌﻞُﺟَﺭ َﻝﺎَﻘَﻓ ،
ِﺶْﻴَﺟ ﻲِﻓ َﺝُﺮْﺧَﺃ ْﻥَﺃ ُﺪﻳِﺭُﺃ ﻲِّﻧِﺇ ِﻪَّﻠﻟﺍ
،َّﺞَﺤﻟﺍ ُﺪﻳِﺮُﺗ ﻲِﺗَﺃَﺮْﻣﺍَﻭ ،ﺍَﺬَﻛَﻭ ﺍَﺬَﻛ
:َﻝﺎَﻘَﻓ»ﺎَﻬَﻌَﻣ ْﺝُﺮْﺧﺍ »
“কোন মহিলা যেন এগানা
পুরুষ ছাড়া একাকিনী সফর
না করে, তার নিকট যেন
এগানা ছাড়া কোনো
বেগানা পরুষ প্রবেশ না
করে, এ কথা শোনে এক
জিজ্ঞাসা করলেন, হে
রাসূলুল্লাহ আমি অমুক অমুক
যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য
সৈন্য দলে নাম লিখিয়েছি
অথচ আমার স্ত্রী হজের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা
দিয়েছেন এখন আমি কি করব?
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম তাকে উত্তর
দিলেন তুমি তার সাথে বের
হও”।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,
«
ْﺖَﺟَﺮَﺧ ﺍَﺫِﺈَﻓ ،ٌﺓَﺭْﻮَﻋ ُﺓَﺃْﺮَﻤﻟﺍ
ُﻥﺎَﻄْﻴَّﺸﻟﺍ ﺎَﻬَﻓَﺮْﺸَﺘْﺳﺍ»:
“নারী গুপ্ত জিনিস; সুতরাং
যখন সে (বাড়ি হতে) বের হয়,
তখন শয়তান তাকে পুরুষের
দৃষ্টিতে রমণীয় করে
দেখায়”।
নিজেকে করার কিছু প্রশ্ন ,
যদি পারেন তো জবাব দিন ,
না পারলে আল্লাহর দিকে
ফিরে আসুনঃ
(১) আপনি শুধু জুমআ’র নামাজই
পড়েন কেন? আপনাকে কি
আল্লাহ্ শুধু জুমার দিনেই
আলো, বাতাস, পানি খাবার
দিয়ে থাকেন? শনিবার দেন
না? রবি, সোম, মঙ্গল সব দিনই
তো দেন, সবদিন পরিপূর্ণ
আল্লাহর নেয়মত ভোগ করেন,
কিন্তু আল্লাহ্কে শুধু একদিনই
স্মরণ করেন। এবার বলুন আপনি
কি ঠিক পথে আছেন? এটা
কি স্পষ্টত অপরাধ নয়? জবাব
দিন , না হলে ফিরে আসুন।
(২) আপনি কি মনে করেন
ইসলাম শুধু মসজিদ ,
মাদ্রাসায় , ইমাম,
আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ?
সবার জন্য জীবনের প্রতিটি
ক্ষেত্রেই কি ইসলাম নয়?
তাহলে আমাদের প্রিয় নবীর
জীবনের প্রতিটি অংশই
কেন ইসলাম জড়িত, কিংবা
সাহাবীরা/৪ খলিফা
কেনইবা ইসলামিক জীবন
যাপন করেছেন? এবার
নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি
কি নিজেকেই ধোঁকা
দিচ্ছেন না? জবাব দিন, না
হলে ফিরে আসুন।
(৩) আপনি জানেন নামাজ
পড়া ফরজ, আপনি এও জানেন
নামাজ না পড়লে
জাহান্নামে যেতে হবে,
আপনার এটাও জানা আছে
যে জাহান্নাম অত্যন্ত
ভয়াবহ, দুনিয়ার কোন
শাস্তিই জাহান্নামের
ধারে কাছেও নেই, তবু কেন
আপনি পড়ছেন না? আপনি কি
জেনে বুঝে নিকৃষ্ট জায়গায় ,
ভয়াবহ শাস্তির জায়গায়
ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে
নিয়ে যাচ্ছেন না? কেউ
যদি জেনে বুঝে শাস্তি
পেতে চায়, অথচ সে ইচ্ছা
করলে শাস্তির বদলে চির
সুখের স্থান পেতে পারে
তাকে আপনি কি বলবেন ?
চরম দুর্ভাগা বলবেন না?
জবাব দিন , না হলে ফিরে
আসুন।
(৪) আপনি তো জানেন
জান্নাতে আরাম আয়েশের
অভাব নেই। ইচ্ছা মত ভাল
ভাল খাবার, পরমা সুন্দরী
জান্নাতি হুর, যা যা ইছে
করে সব পাওয়া যাবে
জান্নাতে গেলে। দুনিয়ায়
মানুষ কদিন বাঁচে? ৮০/১০০
বছর?আর আখিরাতের জীবন
তো অনন্ত অসীম। আপনি এই
৮০-১০০ বছর আরামে
কাটিয়ে দিতে চান আর
অনন্ত জীবন ছেড়ে দিতে
চান? এর থেকে বোকামি আর
কি হতে পারে?
(৫) আপনি সবই মানেন সবই
বোঝেন, কিন্তু অলসতা
কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে
পালন করেন না, কি করে
আশা করেন জান্নাত
পাওয়ার। অনেকে বলেন ভাই
আমি তো জাহান্নামী,
তাদেরকে বলতে ইচ্ছে করে
ভাই জাহান্নামকে আপনি
কি মনে করেন? সাধারন
জেলখানা ? তাহলে শুনুন
নু’মান ইবনে বাশীর
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে
বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
বলতে শুনেছিঃ “কেয়ামতের
দিন জাহান্নামীদের মধ্যে
সবচাইতে লঘু শাস্তি প্রাপ্ত
ব্যক্তির শাস্তি হবে এই যে,
তার দুই পায়ের তালুর নিচে
আগুনের দুটি অংগার রাখা
হবে এবং তাতে তার
মস্তিষ্ক সিদ্ধ হতে
থাকবে,সে মনে করবে, তার
চাইতে কঠিন শাস্তির
মুখোমুখি আর কেউ হয়নি।
অথচ সে-ই জাহান্নামিদের
মধ্যে সব চাইতে হালকা
শাস্তিপ্রাপ্ত [ বুখারীঃ
৬৫৬২;মুসলিম ঃ২১৩]
জবাব দিন, নাহলে ফিরে
আসুন, জারা ফিরে আসবে, এই
মুহূর্ত থেকে তাদের জন্য
আল্লাহ সুসংবাদ দিয়েছেন, ‘
আর যারা খারাপ কাজ
করে,তারপরে তওবা করে
নেয় এবং ইমান নিয়ে আসে,
তবে নিশ্চয়ই তোমার রব
এরপরও ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু
( সুরা আ’রাফঃ১৫৩)
একদিন নবীজি অযু
করছিলেন। তাঁর সামনে
আসলো পাঁচ বছর বয়সী এক
পিচ্চি। নাম তার মাহমুদ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বালতি থেকে
পানি নিয়ে পিচ্চির
মুখমণ্ডলের উপর ছিটিয়ে
দিলেন। মাহমুদ খুবই আনন্দ
পেয়েছিল, নবীজিও উপভোগ
করেছিলেন সেই মুহুর্তটি।
[সহিহ বুখারি ও সহিহ
মুসলিমের হাদিস]
(‘পিচ্চি’ শব্দটি আমরা
‘আদুরে’ অর্থে ব্যবহার
করেছি, তুচ্ছার্থে নয়)
.
আল্লাহর রাসূল ভাল করেই
জানতেন যে, বিয়ের
আলাপে যুবকেরা পুলকিত হয়,
তাই তিনি মজার মজার
কথার মাধ্যমে তাদেরকে
বিয়ের প্রতি উৎসাহিত
করতেন। আবদুর রহমান (রা.)
তখন যুবক। কিছুদিন আগে
মদিনায় হিজরত করেছেন।
তার কাপড়ে হলদে কালার
প্রকাশ পাচ্ছিলো।
.
রাসূল: আবদুর রহমান! বিয়ে
করলে বুঝি?
আবদুর রহমান: জ্বী, ইয়া
রাসূলাল্লাহ!
রাসূল: মোহরানা কী ছিল?
আবদুর রহমান: কিছু
স্বর্ণমুদ্রা।
রাসূল: ওয়ালিমা করে নাও,
ছোট পরিসরে হলেও। [সূত্র:
আসহাবে রাসূলের
জীবনকথা]
.
[এই ঘটনা থেকে আমাদের
জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
হলো, ভেবে দেখুন! তখন
বিয়ে কতটা সহজ ছিলো যে,
একজন সাহাবি বিয়ে
করেছেন, সেই খবরটি রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম পরে জানতে
পেয়েছেন। নবীজি বলেছেন,
“উত্তম বিবাহ তা-ই, যা
সহজে সম্পন্ন হয়” (আবু দাউদ:
২১১৭, সিলসিলা সহিহাহ:
১৮৪২, সহিহ আল জামে’:
৩৩০০)]
.
জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
যুবক বয়সে একজন বিধবা
নারীকে বিয়ে করেন। তখন
রাসূল তাকে বলেন, “যদি
তরুণী বিয়ে করতে, তাহলে
তার সাথে কৌতুক করতে
পারতে!” অবশ্য সংগত
কারণেই তিনি (জাবির)
বিধবা বিবাহ্ করেছিলেন।
[সহিহ হাদিস]
.
এক বৃদ্ধা নারী এসেছিলেন
তাঁর কাছে। তখন তিনি
কথাপ্রসঙ্গে তাকে বলেন,
“কোনো বৃদ্ধা জান্নাতে
যাবে না।” ওই বৃদ্ধা তো
এটা শোনে খুবই হতাশ! তখন
তিনি তাকে বলে দেন, “এর
মানে হলো, কেউ বৃদ্ধ
অবস্থায় জান্নাতে যাবে
না। সবাই যুবক-যুবতী রূপে
জান্নাতে প্রবেশ
করবে।” [বর্ণনা সহিহ]
.
সুবহানাল্লাহ! কী চমৎকার
ছিল তাঁর আচরণ! শিশু, যুবক,
বৃদ্ধ অথবা নারী- সবার
সাথেই তিনি উত্তম আচরণ
করতেন। প্রয়োজনবোধে
কখনো কৌতুক করতেন, কখনো
সতর্ক করতেন আবার কখনো
আশা জাগাতেন। তাঁর পুরো
জীবনটিই এমন অসাধারণ
ছিল। সীরাতের পাতায়
চোখ বুলালে এমন অনেক
আগ্রহ-উদ্দীপক ঘটনা পাওয়া
যায়।
.
আসুন! প্রিয় রাসূলের
লাইফস্টাইল ফলো করি; এতে
আমরা আনন্দিতও হবো,
সম্মানিতও হবো। আমাদের
মনে রাখা উচিত, এই
মানুষটি আমাদের জন্য
জীবিত অবস্থায় কাঁদতেন।
আবার কাঁদবেন সেই কঠিন
বিচার দিবসেও। কীভাবে
তাঁকে উপেক্ষা করবো?
.
সহিহ হাদিসে এসেছে,
জুমু’আর দিনে খুব বেশি
পরিমাণে নবী করীম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ
পড়ার কথা। আসুন, আমরা আমল
করি; আমাদের প্রাণের
স্পন্দন, হাশরের মাঠের
শাফা’আতকারী, আল্লাহর
হাবিবের উপর বেশি বেশি
দরুদ প্রেরণ করি।
এত সুন্দর মুনাজাত
মাশাআল্লাহ! এভাবে
আল্লাহ তায়ালাকে ডাকার
ক্ষমতা যদি থাকে, অবশ্যই
দুয়া কবুল হবে ইংশাআল্লাহ..
.হে আল্লাহ, তুমি কত
বুঝিয়েছো কিন্তু আমরা
কেউ বুঝিনি, তুমি বাঁধা
দিয়েছ কিন্তু আমরা কেউ
থামিনি।
.
হে আমার মালিক! মাসুম
বাচ্চারা যেমন অভিমান
করে বাপ মা ছেড়ে দূরে
যেয়ে ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে
বেড়ায়, আমাদের অবস্থাও
তোমার থেকে দূরে যেয়ে
এমনই হয়ে গেছে যে আমরা
ছন্নছাড়া হয়ে গেছি।
.
হে মোর মালিক, সামনে
কোন রাস্তা দেখতে
পাইনা, কোন উপায়ও চোখে
আসেনা। তোমার পবিত্র
ঘরে একত্রিত হয়ে, তোমার
সামনেই তো হাত পাতি,
ভিক্ষার ঝুলি ফেলি যে
তুমি আমাদের হয়ে যাও।
.
আমাদের হৃদয় এটার যোগ্য না
যে তোমার ভালোবাসা
লাভ করবে, কিন্তু আল্লাহ
তুমি তো যোগ্য, তোমার
রহমত তো যোগ্য যে আমাদের
গন্ধ হৃদয়কে তুমি ধুয়ে দাও,
পরিষ্কার করে দাও আর একে
তোমার রহমত লাভের
ব্যাপারে কবুল করে নাও,
যোগ্য করে দাও।
.
আমার মালিক! ভালো
হওয়ার চেষ্টা করতে করতে
ধুকে গেছি। হে মওলা, অনেক
চেষ্টা করেছি কিন্তু
যেভাবে তুমি পছন্দ করো
সেভাবে নিজেকে গড়ে
তুলতে পারিনি।
.
হে আমার মালিক ! আমাদের
ব্যাপারে তো জানোই
আমরা তোমার নবীর
যামানার কত পরে এসেছি।
সেই যামানার লোকেরা
তো চারপাশে কত পূন্যের,
তাকওয়ার পরিবেশের
মাঝে থাকত, কিন্তু
আমাদের দিকে একবার
চেয়ে দেখ, পুরো দুনিয়াতে
কি চলছে, কত রকম নিত্য নতুন
গুনাহ প্রতিনিয়ত সংঘটিত
হচ্ছে।
.
হে আল্লাহ, এক কদম তোমার
দিকে চলি তো দশ কদম উল্টো
দিকে আসি। সকালে তওবা
করি সন্ধ্যায় আবার গুনাহ
করি, সন্ধ্যায় তওবা করি
সকালে আবার গুনাহ করি।
কিন্তু তোমার রহমতের,
ক্ষমাশীলতার উচ্চতার
সামনে আমাদের গুনাহ এর
উচ্চতাই বা কতটুকু ?
.
হে মালিক! কেয়ামতের
দিনে যখন প্রথম দিক কার
লোকেরা আসবে, ওদের
কাছে তো বড় তাকওয়া
থাকবে, বড় বড় আমল থাকবে,
তারপর যখন আমরা এই
যামানার লোকেরা আসব,
আমরা তো ইয়া আল্লাহ একদম
খালি হাত হবে, আমাদের
ঝুলিও তো ফাঁকা থাকবে।
কোথাও লুকানোরও তো
জায়গা থাকবেনা যে চুপ
করে লুকিয়ে পড়ব।
.
হে মোদের রব ! আমাদের
সম্বল বলতে তো কেবল
তোমার রহমত আর তোমার
হাবীবের ভবিষ্যদ্বানী।
তিনি বলেছিলেন, “ওরাই
তো আমার ভাই যারা
আমাকে না দেখেই বিশ্বাস
করবে, আমার উপর ঈমান
আনবে”
হে মালিক, আমরা তো
দেখিনি উনাকে, আমরা তো
কোরআন নাযিল হওয়াও
দেখিনি। আমরা তো এই
যামানায় চারিদিকে শুধু
দেখে চলেছি নোংরা
নোংরা নগ্ন সংস্কৃতি আর
শুনে চলেছি গুনাহর আওয়াজ।
.
হে আল্লাহ! তোমার হাবীব
তো আমাদের জন্য দুয়া করে
গেছেন। তুমি তো তাকে
কথা দিয়েছিলে যে তাকে
তুমি তাঁর উম্মতদের
ব্যাপারে তাকে খুশী করে
দিবা। আমরা তার উম্মতও
আর তিনি আমাদের তাঁর
ভাইও বলেছেন।
.
হে আল্লাহ কিছুই নাই
আমাদের কাছে, আমাদের
নবী অনেক কষ্ট করে গেছেন
তোমার দ্বীনের পথে, সে
উছিলায় হলেও তুমি
আমাদেরকে ক্ষমা করে
দাও।
.
হে মায়ের থেকে বেশি
ভালোবাসা স্থাপনকারী,
বাপের থেকে বেশি
যত্নকারী! আমাদের কাছে
জান্নাতে যাবার মত একটা
আমলও নাই, শুধু তোমার রহমত
আর তোমার হাবীবের
শাফায়াত আছে। এই দুইটা
ছাড়া আমাদের কাছে আর
কিছুই নাই। আমরা ফকির,
আমাদের বিবিরা ফকির,
আমাদের বাচ্চারা ফকির।
আমাদের আরব অনারব,
কালো ফর্সা, ধনী গরীব
সবাই ফকির তোমার রহমত
ছাড়া।
.
হে আমাদের রব, আজকেই
ফায়সালা করে দাও।
আমাদের সকল গুনাহ মাফ না
করিয়ে উঠবনা আমি।
তোমার জান্নাত তো এত বড়!
কোন কোনা কাঞ্চিতে
করুণা করে একটু জায়গা করে
দিলে তো কেউ জানতেও
পারবেনা যে আমার মত
গুনাহগার সেখানে স্থান
পেয়েছে।
ওহ আল্লাহ, তোমাকে
চ্যালেঞ্জ করার মত কে বা
আছে? তোমাকে
প্রশ্নকারীই বা কে আছে
তুমি আমাদের ক্ষমা করে
দিলে ?
.
হে মুহম্মদ (সাঃ) এর রব, হে
মূসা কালিমুল্লাহ এর রব, হে
ইব্রাহীম খালিল এর রব, হে
ঈসায়ী রুহু কে রব, হে
অনাথদের রব, আমাদের
কারোর না কারোর অশ্রু,
কারোর দুয়ার হাত তো পছন্দ
করে আমাদের সবার দুয়া
কবুল করে নাও।
আমাদের তো তুমিই আছো,
আর সেই যামানার সবারও
তো তুমি ছিলাই আর
এমনিতেও তারা ছিলো
অনেক বড় মুত্তাকী, কিন্তু
আমাদের তো শুধুই তুমি
আছো।
.
[মাওলানা তারিক জামিল
এর এই দোয়াটা রিজওয়ানুল
কবির সানিন ভাইয়ের
টাইমলাইন থেকে সংগৃহীত]
সেই পুত্রবধু বললো, মা, আপনি
কোন চিন্তা করবেন না।
তাতে কী হয়েছে? বৃদ্ধ বয়সে
এ রকম হতেই পারে।
আপনাদের মুরুব্বীদের কোলে
আমরা শৈশবে কত প্রস্রাব
করেছি। অতঃপর সে নিজের
হাতে বিছানা সুন্দর করে
পরিষ্কার করলো এবং আতর
মেখে দিলো।
বৃদ্ধা মা বললেন, মা, আমার
এক বান্ধবী আছে। সে
আমাকে কিছু অর্থ দিয়েছে
তার জন্য স্বর্ণের চুরি ক্রয়
করার জন্য। তার হাতের মাপ
আমি জানি না। তবে সে
অনেকটা তোমার মতই। এসে
তো মা তোমার হাতের
মাপটা দাও। বৃদ্ধা মা
বাজারে গেলেন। তার সমুদয়
অর্থ দিয়ে স্বর্ণের
অলংকারাদি ক্রয় করলেন।
মহিলা ছিলেন অনেক
সম্পদের মালিক।
এরপর সব ছেলেদেরকে
তাদের স্ত্রীদের সহ
ডাকলেন এবং সব ঘটনা
বললেন। আরো বললেন, আসলে
তা প্রস্রাব ছিলো না, তা
ছিলো পানি।
আমি আমার ছোট পুত্রবধুর
আচরণে মুগ্ধ হয়েছি।
তোমাদের আচরণে কষ্ট
পেয়েছি। তাই আমি আমার
সমুদয় অর্থ দিয়ে স্বর্ণ কিনে
এনেছি। তা আমার ছোট
পুত্রবধুকে উপহার দিলাম।
আর জেনে রেখ, তোমরা
তোমাদের স্ত্রীদেরকে
মায়ের সম্মান শিক্ষা
দাওনি। তোমাদের
পুত্রবধুরাও তোমাদের সাথে
এ রকম আচরণ করবে। তোমরা
সে দিন অনুতপ্ত হবে।
যেভাবে তোমাদেরকে
শৈশবের লালন পালনের জন্য
আমিও আজ অনুতপ্ত।
তোমাদের ছোট্ট ভাই সে
সম্মানের সাথে বাঁচবে,
সম্মানের সহিত তার রবের
সাথে সাক্ষাত করবে। যা
থেকে তোমাদের স্ত্রীরা
তোমাদেরকে মাহরুম
করেছে।

যারা সুন্দর সুন্দর ইসলামিক
পোষ্ট পড়তে চান তারা
সবাই আমার প্রোফাইল এ
ডুকে ইসলামিক পোষ্ট গুলা
পড়,,
অনেক ভালো লাগবে
যে সব ব্যাক্তি আর্থিক
সামর্থ থাকার শর্তে ও
তাদের উপর ফরজ হজ্জ করতে
যাবেনা, তাদের হাসর হবে
ইহুদিদের সাথে,। বিনা
হিসাবে জাহান্নামে
যাবে এরা
_একজন বেপর্দা নারীর জন্য
তার
পরিবারের ৪ জন পুরুষ
জাহান্নামী
হবে !
১. তার বাবা
২. তার বড় ভাই
৩. তার স্বামী
৪. তার বড় ছেলে
(মুসনাদে আহম্মদ ৫৮৩৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম বলেছেন
আমার কথা (অন্যদের কাছে)
পৌছিয়ে দাও, তা যদি
একটি আয়াতও হয়। (সহীহ
বুখারীঃ ৩২১৫)
যে ব্যক্তি (পুরুষ) পায়ের
টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে
পরবে, সে জাহান্নামী।
(সহীহ বুখারীঃ৫৩৭১,
মিশকাত, হা/৪১২৫)
যে কোরআন পড়িয়া ভুলিয়া
যায় কেয়ামতের দিন সে
আল্লাহর সহিত কান ও নাক
কাটা অবস্থায় সাক্ষাৎ
করিবে।
সহীহ বুখারীতে রাসূল সাঃ
এর দীর্ঘ
এসেছে,
“আমরা এক শায়িত ব্যক্তির
কাছে আসলাম।
তার মাথার কাছে পাথর
হাতে নিয়ে অন্য এক-
জন লোক দাঁড়িয়ে ছিল।
দাড়ানো ব্যক্তি শায়িত
ব্যক্তির মাথায় সেই পাথর
নিক্ষেপ করছে। এবং
পাথরের আঘাতে তার মাথা
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে
যাচ্ছে তারপর পাথরটি
বলের মত গড়িয়ে দূরে
চলে যাচ্ছে।
★→লোকটি পাথর কুড়িয়ে
আনতে আনতে
আবার তাঁর মাথা ভাল হয়ে
যাচ্ছে।দাঁড়ানো
ব্যক্তি প্রথমবারের মত
আবার আঘাত করছে
এবং তার মাথাকে চূর্ণ-
বিচূর্ণ করে দিচ্ছে। রাসূল
(সাঃ) তাঁর সফরসঙ্গী
ফেরেশতাদ্বয়কে
জিজ্ঞেস
করলেনঃ কি অপরাধের
কারণে তাকে এভাবে
শাস্তি দেয়া হচ্ছে?
★→উত্তরে তারা
বললেনঃএব্যক্তি কুরআন
শিক্ষা
করেছিল। কিন্তু কুরআন
অনুযায়ী আমল করেনি
এবং সে ফরজ নামাযের সময়
ঘুমিয়ে থাকত।এখন
থেকে কিয়ামত পর্যন্ত
তাকে এভাবে শাস্তি
দেয়া
হবে।
নবী করিম (সাঃ) বলেছেন,
এক লোক নবীজির কাছে
এসে বলল,সে সকাল পর্যন্ত
ঘুমিয়েছে
এবং নামায আদায় করতে
পারেনি!!নবীজি
বললেন:শয়তান তার কানে
প্রস্রাব করে দিয়ে
চলে গিয়েছে!
(বুখারী 2:21:245)
যে ব্যাক্তি আজান শুনে
নামাজ পড়বে
না কিয়ামতের দিন তাঁর
কানে গরম
সীসা ঢেলে দেয়া হবে”
সূরা ইখলাস পাঠ করার
বিশেষ ৯ টি নেয়ামত:–
“যে ব্যক্তি প্রতিদিন ওযু ‘র
সাথে দুই শত (২০০) বার সূরা
ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ্
তায়ালা তাকে নয় (৯) টি
নেয়ামত দান করবেন ।
১/গজব এর ৩০০ দরজা বন্ধ করে
দিবেন।
২/রহমত এর ৩০০ দরজা খুলে
দিবেন।
৪/রিজিক এর ৩০০ দরজা খুলে
দিবেন।
৫/আল্লাহ্ তাকে ইলেম, ধৈর্য
ও বুঝ দান করিবেন।
৬/ ৬৬ বার কোরআন শরীফ
খতম করার সওয়াব দান
করিবেন।
৭/৫০ বছর এর গুনাহ মাফ করে
দিবেন
৮/জান্নাতের বিশাল ২০ টি
মহল দান করিবেন, যা
নির্মিত হবে ইয়াকুত
মারজান, জমরুদ দ্বারা।।
৯/দুই হাজার (২০০০) রাকাত
নফল নামায পড়ার সওয়াব
দান করিবেন,
মৃত্যুর পর তার জানাযায় এক
লক্ষ দশ হাজার (১,১০,০০০)
ফেরেশতা অংশগ্রহন
করবেন।
( তাফসীরে রাযী)
যদি কোনো ব্যক্তি রাতে
শয়নকালে এই নিয়ত
করে যে সে রাতে উঠে
নামাজ পড়বে;
কিন্তু প্রচণ্ড ঘুমের কারণে
সকাল হয়ে যায়,
তাহলে সে তার নিয়ত
অনুযায়ী নামাজের সওয়াব
পাবে!
আর ঘুমটা আল্লাহর পক্ষ
থেকে তার জন্য
সদকাস্বরূপ হবে!
(নাসায়ি : ১৭৮৭)
# সুবহান_আল্লাহ্______
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
চারটি বাক্য ১০০ বার করে
পাঠ করার ফজিলত :
উম্মু হানি (রা) রাসূল (ﷺ) এর
নিকট এসে বলেন, ইয়া
রাসূলাল্লাহ, আমি বৃদ্ধ ও
দুর্বল হয়ে গিয়েছি, আমাকে
এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন
যা আমি বসে বসে পালন
করতে পারবো। তিনি
বলেনঃ
” তুমি ১০০ বার “সুব’হা-
নাল্লাহ” বলবে তাহলে
১০০টি ক্রীতদাস মুক্ত করার
সমপরিমাণ সাওয়াব তুমি
পাবে।
তুমি ১০০ বার “আল হামদু
লিল্লাহ” বলবে, তাহলে
আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের
জন্য ১০০ টি সাজানো
ঘোড়ায় মুজাহিদ প্রেরণের
সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে।
তুমি ১০০ বার “আল্লাহু
আকবার” বলবে, তাহলে
১০০টি মাকবুল উট কুরবানির
সমপরিমাণ সাওয়াব তুমি
পাবে।
তুমি ১০০ বার “লা-ইলাহা
ইল্লাহ” বলবে, তাহলে
তোমার সাওয়াবে আসমান ও
জমীন পূর্ণ হয়ে যাবে (এবং
তোমার কোন পাপই বাকি
থাকবেনা)
#রেফারেন্সঃ মুসনাদে
আহমাদ ৬/৩৪৪, সুনানু ইবনু
মাজাহ ২/১২৫২,নং ৩৮১০,
নাসাঈ, কুবরা ৬/২১১,
মুসতাদারাক হাকিম ১/৬৯৫,
মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/৯২;
আলবানী সহীহাহ
৩/৩০২,৩৯০,নং ১৩১৬।
নামাজ পড়ার সময় মনে
রাখতে হবে যে, দুনিয়ার
সবচেয়ে বড় চোর হলো ঐ
ব্যাক্তি যে নামাজের মধ্য
চুরি করে। রুকু থেকে উঠার
পর পিট সোজা রাখতে হবে
৩ সেকেণ্ড+
দুই সিজদার মাঝে বসার
সময়কাল হবে ৩ সেকেণ্ড+
যদি কেউ রুকু থেকে উঠে আর
দুই সিজদার মাঝে বসার সময়
পিট সোজা না করে টাহলে
তাকে সাহু সিজদা দিতে
হবে,আর সাহু সিজদা না
দিলে তার নামাজ বাতিল
হয়ে যাবে।তাই পিট অবশ্যই
সোজা রাখবেন, এটা
ওয়াজিব।আর যখন দেখবেন
ফরজ জামাত শুরু হয়ে গেছে
তখন কোনো সুন্নত নফল পড়া
যাবেনা।ডিরেক্ট ফরজ
জামাত ধরবেন,ফরজের দুই
রাকাত সুন্নত পড়ার আগে
যদি দেখেন জামাত স্টার্ট
হইছে তাহলে ঔ সময়ে
কোনোমতেই সুন্নত পড়তে
পারবেন না।ফরজ জামাত
শেষ করে তারপর সুন্নত
নামাজ পড়বেন।
৪ রাকাত নামাজ পড়তে
কমপক্ষে ৬-৫ মিনিট সময়
নিতে হবে।
যদি কেউ ৩ বা ৪ মিনিট এ
৪রাকাত নামাজ পড়ে
তাহলে সেই নামাজে ঐ
ব্যক্তি অনেক চুরি করছে।
যার ফলে নামাজ বাতিল
হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা আছে,,
ধীরগতিতে নামাজ পড়তে
হবে, যারা মেশিন নামাজ
মানে দ্রুত নামাজ পড়বে,
চুরি করবে, তাদের ঐ নামাজ
বদ দোয়া দিতে দিতে
আসমানে চলে যায়, এ রকম
দ্রুতগতির চুরি -চামারী
নামাজিরা জাহান্নামএ
যাবে।
আর নামাজ পড়ার ক্ষেএে
আরবী জানা ফরজ। আরবী
ভাষায় সুরা পড়তে হবে
বিশুদ্ধ উচ্চারণ দিয়ে। এটা
আরবী,কেউ যদি বাংলায়
সুরা পড়ে তাহলে প্রতি
লাইনে এর অর্থ পাল্টে
যাবে। ফলে ঐ ব্যাক্তি র
নামাজের মধ্যে যে সব
হারাম কথা আছে সবই
বলছে,তাই যারা আরবী
পড়তে যানেনা তারা আজ
থেকে আরবী পড়া শিখে
নিন, নামাজ পড়তে হবে শুদ্ধ
আরবী ভাষায়। এটা জানার
পর ও যারা আরবী না শিখে
আগের মত বাংলা সুরা পড়ে
নামাজ শেষ করবেন তারা
জাহান্নামে যাবেন। যারা
এটা জানেনা তাদের
জানানো দায়িত্ব আপনার।
আপনার উছিলায় কেউ যদি
আরবী পড়তে শুরু করে দেয়,
তাহরে সে ব্যাক্তি জীবনে
যত বার শুদ্ধআরবী পড়ে যে
সোয়াব পাবে, সেটা
কোরআন বা নামাজ যেই
ক্ষেএে হোক, তার সম
পরিমান সোয়াব আপনি ও
পেতে থাকবেন।
ইসলামের ভাষা হল আরবী,
জেনে শুনে আরবী কে বিকৃত
করে পড়বেন না। বিকৃত
ভাবে পড়লে সরা সরি
জাহান্নামে গিয়ে পড়তে
হবে,,
,,গান শোনা হারাম।কেউ
গান বা সং শোনে ঘুমিয়ে
পড়লে তার সত্তর বছরের
ইবাদত ধ্বংস হয়ে যাবে।
পিক,ইমোজি,মাটির তৈরি
কোনো পুতুল বা মাটির
তৈরি প্রাণী এসব হারাম।
কারণ এসব নির্জিব জিনিস।
হাশরের ময়দানে আল্লাহ
সেইসব লোকদের ডেকে
বলবেন( যারা পিক,ইমোজি,
মাটির তৈরি পুতুল বা
মাটির তৈরি প্রাণি
বানাইছে)এসব জিনিসের
মধ্যে প্রাণ বা রুহু দিতে,আর
তখন কেউ প্রাণ বা রুহু দিতে
পারবেনা,আর তারপর
আল্লাহ তাদের
জাহান্নামে নিক্ষেপ
করবেন
মহিলাদের পর্দা করা ফরজ,
ফুল কালো বোরখা পড়তে
হবে,
মুখ ও ঢাকতে হবে, আপনার
শরীরের কোন অঙ্গ দেখা
এমনকি আপনার কন্ঠ বা
আওয়াজ দ্বারা যদি কোন
পুরুষ আকৃষ্ট হয় তবে আপনার
আর সেই পুরুষের আমল নামায়
জিনা করার গুনাহ্ লিখা
হবে,,,,,,,,,,।
দান সদকা বেশি বেশি
করবেন। দান সদকা করলে
বিপদ দূর হয়ে যায়।আর সম্পদ
বৃদ্ধি পায়।বাট মনে রাখতে
হবে,সেই দান সদকা হতে হবে
খাঁটি, কোনো খুঁত থাকা
যাবেনা।
আপনাকে এমনভাবে দান
সদকা করতে হবে যেন কেউ
টের না পায়।আপনি এক
কোটি একশো মানুষকে
দেখাইয়া দিলেন আর একটা
ফকির কাউকে না দেখাইয়া
মাত্র এক টাকা দান করলো
এই কাউকে না দেখাইয়া ১
টাকার দাম,১০০ মানুষরে
দেখাইয়া ১০০ কোটি টাকা
দান করার চাইতেও আল্লাহর
কাছে অনেক গুন বেশি।দান
বাক্স থাকলে,কাউকে
দেখাইয়া দান করবেন
না,গোপনে দান করবেন।ফলে
শয়তান আপনাকে ধোঁকা
দিতে পারবে না এই বলে
তুইতো দানশীল, সবাইকে
দেখাইয়া দান কর,সবাই তরে
দানশীল কইবো,ফলে
দুনিয়াতে ইজ্জত কামাইলি
আর অাখিরাতে জান্নাত।
এই রকম যারা লোক দেখানো
নামাজ,লোক দেখানো দান
সদকা করে তারা বিনা
হিসেবেই জাহান্নামে
যাবে।
প্রতিটা মানুষ হাশরের
ময়দানে তার সদকার
ছায়াতলে থাকবে।দান
সদকা তাই গোপনে
করবেন,ভুল করেও কোনো
হুজুরের হাতে টাকা দিয়া
এবার এই দানের স্লিপ
নিবেন না,গোপনে দান
করবেন। যদি দান বাক্স নাহ
পান তাহলে দিল্ প্রাণের
মধ্যে শক্ত নিয়ত রাইখা যে
আমি এই টাকা আল্লাহর
মসজিদ মাদ্রাসার জন্য দান
করতাছি,এই নিয়ত রাইখা
হুজুর রে টাকা দিয়ে বলবেন
যে কেউ যাতে আপনার দান
সদকার ব্যাপারে না
জানতে পারে।তারপর যারা
অসহায় গরিব তাদের
দিবেন।মনে রাখবেন ফকির
হলো দুই প্রকার,এক শ্রেণীর
ফকিরদের ফেস দেখলেই
বুঝবেন এরা নিজেরা চলতে
পারবে এদের আওয়াজের
মধ্যে আর্তনাদ, অসহায়ত্ব
খুঁজে পাবেন না, আরেক
শ্রেণীর ফকির হলো
একবারেই অসহায়,এদের
আওয়াজ,চোখ,মুখ দেখলেই
বুঝবেন এদের টাকার অনেক
দরকার,আর এই টাইপের
মানুষদের ফকির বলা যাবে
নাহ,এদের কাউকে পাইলে
হেল্প করুন বেশি বেশি দান
সদকার মাধ্যমে। অনেক
গরিব আছে যারা কাজ কইরা
খাইতে চায় কিন্ত হাতে
টাকাও নাই যে ব্যবসা
করবে,আর কেউ কাজেও নেয়
নাহ,এদের দিকে তাকিয়ে
এদের জন্য কোনো কাজের
ব্যবস্থা করে দিয়েন বা দুই
তিন পাঁচ হাজার টাকা
দিয়ে একটা ব্যবসা করানোর
ব্যবস্থা করে দিয়েন,মনে
রাখবেন ঔ ব্যক্তিকেই যে
শুধু উপকার করলেন এমনটা
নাহ,ঔ ব্যক্তির একটা
পরিবার আছে,আপনার
ওছিলায় ঔ পরিবারের
সকলের মুখে কিছু খাদ্য
জুটবে,কেউ চিকিৎসার জন্য
সাহায্য চাইলে তাকে
ফিরিয়ে দিবেন না।বরং
হেল্প করবেন
সাধ্যমতো,আপনার মনকে নরম
করুন।আল্লাহ শুধু উছিলা
খুঁজবেন কিভাবে বান্দাকে
জান্নাতে ঢোকানো যায়।
আর সব আমল কার্যকর হবে
যদি আপনার নামাজ আর
রোজা ঠিক থাকে।নামাজ
আর রোজা অবশ্যই পড়তে
হবে,এইটায় কোনো ছার
নাই।আল্লাহ সবাইকে বুঝ
দান করুক।
দান সদকা করার ক্ষেত্রেও
কোনো ইয়াতিম ছেলে যে
মাদ্রাসায় পড়ে,যদি পারের
তাহলে তার কোরআন আর
মাদ্রাসার জীবনের পুরু
ব্যয়ভার নিয়ে তাকে
হাফেজ/হাফেজা বানাতে
হেল্প করুন।তাহলে হাশরের
ময়দানে একজন কোরআন এর
হাফেজ যার দশজনকে
সুপারিশ করে জান্নাতে
নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা
আছে,তাদের মধ্যে আপনার
উপকারের কথা স্মরণ করে
আপনাকে জান্নাতে নিবার
জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ
করবে।আর যদি ব্যয়ভার না
নেন,তাহলে ওর জন্য জুব্বা,
পায়জামা, পাঞ্জাবি
ভালো ভালো কিছু কিনে
দিন যাতে খুশি হয়,অনেক বড়
সওয়াবের কাজ এতিম কে
হেল্প করা কারন আমাদের
নবীজি নিজেও এতিম
ছিলেন।
কাউকে আঘাত করলেন ফলে
সেই ব্যক্তি কষ্ট
পাইলো,কারও কাছ থিকা
টাকা ধার নিছিলেন কিন্তু
টাকা আর তাকে ফেরত
দেননি,এখন ব্যক্তির কাছে
যদি মাফ না চান আঘাত
দেওয়ার জন্য, আর ব্যক্তির
দেওয়া ধারের টাকা যদি
ফেরত নাহ দেন,তাহলে
আঘাতের বিনিময়ে আর
টাকা পরিশোধ নাহ করার
বিনিময়ে হাশরের ময়দানে
আল্লাহ আপনার আমলনামা
থেকে প্রচুর পরিমান নেকি
দিয়ে দিবেন।আর যদি
আপনার নেকি নাহ থাকে
বা নেকি শেষ হয়ে যায়
তাহলে যারে আঘাত করছেন
বা যার টাকা ফেরত দেন
নাই তাদের আমলনামা
থেকে প্রচুর পরিমান গুনাহ
আপনার আমলনামায় যোগ
করে এইভাবে আঘাতের আর
টাকা ফেরত নাহ দেওয়ার
গুনাহের শাস্তির বিচার
করবেন।
যাকাত প্রদান করার
ক্ষেত্রে লুঙ্গি শাড়ি
দেওয়া যাবে নাহ।নবীজি
যেইভাবে দিছেন ঠিক
সেইভাবেই দিতে হবে।আর
শাড়ি তো দেওয়াই যাবে
নাহ।শাড়ি দিয়ে আরও
যিনা করার পাপ করবেন।
শাড়ি পড়লে মহিলার
পেট,পিঠ দেখা যায় যাইটা
পরপুরুষ দেখে আকর্ষিত হয়।
ফলে যিনার গুনাহ ওদের
আমলনামায় যেমন লিখা হয়
তেমনি ওদের মতো পরিমান
যিনার গুনাহ যা আপনার
দেওয়া শাড়ি পড়ার পর
থেকে হইছে সেইটা আপনার
আমলনামায়ও লিখা হবে।
কাউকে আঘাত করলেন ফলে
সেই ব্যক্তি কষ্ট
পাইলো,কারও কাছ থিকা
টাকা ধার নিছিলেন কিন্তু
টাকা আর তাকে ফেরত
দেননি,এখন ব্যক্তির কাছে
যদি মাফ না চান আঘাত
দেওয়ার জন্য, আর ব্যক্তির
দেওয়া ধারের টাকা যদি
ফেরত নাহ দেন,তাহলে
আঘাতের বিনিময়ে আর
টাকা পরিশোধ নাহ করার
বিনিময়ে হাশরের ময়দানে
আল্লাহ আপনার আমলনামা
থেকে প্রচুর পরিমান নেকি
দিয়ে দিবেন।আর যদি
আপনার নেকি নাহ থাক�

#আজ এ পর্যন্ত।নিয়মিত সালাত আদায় করবেন।

Leave a Reply

Related Posts

***একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস যার কারণে আপনি সবচেয়ে বেশি সওয়াবের অধিকারী হবেন,,,[বিস্তারিত পোষ্টে দেখুন]

Posted By: - 4 weeks ago - No Comments

"আসসালামু আলাইকুম" বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি হাদিস যা অধিক সওয়াব অর্জনে সহায়তা করবে।তাহলে চলুন,,, গুরুত্বপূর্ণ একটি...
***অধিক সওয়াব অর্জন করুন,,,বিস্তারিত পোষ্টে,,,[না দেখলে পুরো লস খাবেন]

Posted By: - 1 month ago - No Comments

"আসসালামু আলাইকুম" হ্যালো টিপসরেইন.কম এর সুপ্রিয় বন্ধুরা, আপনারা সকলে কেমন আছেন?আশা করি অনেক ভালো আছেন।আর ভালো থাকারই কথা।কারণ যারা টিপসরেইন.কম...
***মেয়ে শিশুর প্রায় ৩০০ টি ইসলামিক নাম ও এর অর্থ জানুন এই পোষ্টে,,,

Posted By: - 1 month ago - No Comments

মেয়ে শিশুর 300 টি ইসলামিক নাম: ১.আফরা=অর্থ =সাদা ২.সাইয়ারা=অর্থ =গাড়ী ৩.আফিয়া =অর্থ =পুণ্যবতী ৪.মাহমুদা =অর্থ =প্রশংসিতা ৫.রায়হানা =অর্থ =সুগন্ধি ফুল...
***কিছু প্রয়োজনীয় আমল যা আমাদের অধিক সওয়াব অর্জনে সহায়তা করে বিস্তারিত পোষ্টে,,,

Posted By: - 1 month ago - No Comments

প্রতিদিনের লোভনিয় আমল # সুবহানআল্লাহ্ : প্রতিদিন ১০০ বার সুবহানআল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ্ মাফ...
***পবিত্র আল-কুরআনের ৮১ টি উপদেশমূলক বাণী যা দৈনন্দিন জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ বিস্তারিত পোষ্টে,,,[দেখলে আপনার লাভ হবে]

Posted By: - 1 month ago - No Comments

আল-কুরআনের ৮১টি উপদেশবাণী  ১। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। [সূরা বাকারা ২:৪২]  ২। সৎকার্য নিজে সম্পাদন...