About 3 weeks ago 27 Views

Verified User
*
পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি
Home » Hot » স্যাটেলাইট সমন্ধে জানুন

আসসালামু আলাইকুম ।

সবাই মিলে কেমন আছেন । আশা করছি সবাই মিলেমিশে ভালো আছেন । আজ আমি আপনাদের সাথে যে পোস্টি শেয়ার করব , চলুন তাহলে দেরি না করে পোস্টের বিস্তারিত জেনে আসি । কিন্তু বিস্তারিত জানার আগে আপনাদের কাছে আমার একটা অনুরোধ আপনারা আমার পোস্টে অবশ্যই like করবেন ।

স্যাটেলাইট ::-

স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ মহাকাশে থেকে পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরতে থাকে । মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে এটি ঘুরে , তাই এটিকে মহাকাশে রাখার জন্য কোনো জ্বালানি বা শক্তি খরচ করতে হয় না । পৃথিবীর তার অক্ষে চব্বিশ ঘণ্টায় ঘুরে আসে । স্যাটেলাইটকেও যদি ঠিক চব্বিশ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে ঘুরিয়ে আনা যায় তাহলে পৃথিবী থেকে মনে হবে সেটা বুঝি আকাশের কোন এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে । এ ধরনের স্যাটেলাইট কে বলে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট । যেকোন উচ্চতায় জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট রাখা যায় না । এটি প্রায় 36 হাজার কিলোমিটার উপরে একটি নির্দিষ্ট কক্ষ পথে রাখা হয় । আকাশে একবার জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট বসানো হলে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে সেখানে সিগন্যাল পাঠানো যায় । এবং স্যাটেলাইট সেই সিগন্যাল টিকে নতুন করে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে পাঠিয়ে দিতে পারে ।

এই পদ্ধতিতে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত রেডিও, টেলিফোন , মোবাইল ফোন , কিংবা ইন্টারনেটে সিগন্যাল পাঠায় । 1968 সালে প্রথম যখন এভাবে মহাকাশে প্রথমবার জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয় তখন যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল ।

বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট 1 নামে একটি স্যাটেলাইট 2018 সালের 12 মে তারিখে মহাকাশে প্রেরন করেন । স্যাটেলাইট প্রেরনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান 57 তম । 2021 সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ স্যাটেলাইট নিঃসন্দেহে অনেক ভূমিকা রাখবে ।

স্যাটেলাইট দিয়ে যোগাযোগের দুইটি সমস্যা আছে । যেহেতু স্যাটেলাইট পৃথিবীর থেকে অনেক উচুতে থাকে , তাই সিগন্যাল পাঠানোর জন্য বড় এন্টেনার দরকার হয় । আরেকটি সমস্যা হল একটু বিচিত্র ওয়্যারলেস সিগনাল দ্রুত বেড়ে গেলে এ বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করে একটু সময় নেয় । তাই টেলিফোনে কথা বলার সময় অন্য পাশ থেকে কথাটি সাথে সাথে না শুনা গেলে একটু দেরি হয়ে ।

Leave a Reply

Related Posts