About 2 weeks ago 25 Views

*
's Bio
This author may not interusted to share anything with others
Home » Islamic Zone » [পর্ব ০১] আসুন সহিহ বুখারী হাদিস গুলো পড়ি ধারাবাহিক ভাবে। দয়া করে আল্লহর নামে পড়ে দেখুন।

আসসালামু আলাইকুম।
সবাই কেমন অাছেন?
আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি।
আমি ট্রিকবিডিতে নতুন।
আমি চাচ্ছি ধারাবাহিক ভাবে সহিহ বুখারী
শরীফের হাদিস সম্পর্কে আলোচনা করি। তো
চলুন আজকে সহিহ বুখারী শরীফের ওহির সূচনা
সম্পর্কে আলোচনা করি।
হাদিস নং ০১
ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺍﻟْﺤُﻤَﻴْﺪِﻱُّ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺍﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻗَﺎﻝَ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻗَﺎﻝَ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ
ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ ﺍﻷَﻧْﺼَﺎﺭِﻱُّ، ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﺍﻟﺘَّﻴْﻤِﻲُّ،
ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ ﺑْﻦَ ﻭَﻗَّﺎﺹٍ ﺍﻟﻠَّﻴْﺜِﻲَّ، ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦَ ﺍﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ـ
ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ـ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻤِﻨْﺒَﺮِ ﻗَﺎﻝَ ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳَﻘُﻮﻝُ “ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻷَﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَّﺎﺕِ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻟِﻜُﻞِّ ﺍﻣْﺮِﺉٍ ﻣَﺎ
ﻧَﻮَﻯ، ﻓَﻤَﻦْ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻫِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﺩُﻧْﻴَﺎ ﻳُﺼِﻴﺒُﻬَﺎ ﺃَﻭْ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓٍ ﻳَﻨْﻜِﺤُﻬَﺎ
ﻓَﻬِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﻣَﺎ ﻫَﺎﺟَﺮَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
আমারা যারা আরবি জানিনা তারা বাংলা
অর্থ গুলো দেখে নিনঃ
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ কাজ (এর
প্রাপ্য হবে) নিয়ত অনুযায়ী। আর মানুষ তার
নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার
হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন
মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে- তবে তার
হিজরত সে উদ্দেশ্যেই হবে, যে জন্যে, সে
হিজরত করেছে।
( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউনডেশন)
হাদিস নং ০২
ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﺳُﻒَ، ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ،
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺃُﻡِّ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ـ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ـ ﺃَﻥَّ ﺍﻟْﺤَﺎﺭِﺙَ
ﺑْﻦَ ﻫِﺸَﺎﻡٍ ـ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ـ ﺳَﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭﺳﻠﻢ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﻴْﻒَ ﻳَﺄْﺗِﻴﻚَ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰُ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ “ ﺃَﺣْﻴَﺎﻧًﺎ ﻳَﺄْﺗِﻴﻨِﻲ ﻣِﺜْﻞَ ﺻَﻠْﺼَﻠَﺔِ ﺍﻟْﺠَﺮَﺱِ ـ
ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﺷَﺪُّﻩُ ﻋَﻠَﻰَّ ـ ﻓَﻴُﻔْﺼَﻢُ ﻋَﻨِّﻲ ﻭَﻗَﺪْ ﻭَﻋَﻴْﺖُ ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺎ ﻗَﺎﻝَ، ﻭَﺃَﺣْﻴَﺎﻧًﺎ
ﻳَﺘَﻤَﺜَّﻞُ ﻟِﻲَ ﺍﻟْﻤَﻠَﻚُ ﺭَﺟُﻼً ﻓَﻴُﻜَﻠِّﻤُﻨِﻲ ﻓَﺄَﻋِﻲ ﻣَﺎ ﻳَﻘُﻮﻝُ ”. ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ
ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ﻭَﻟَﻘَﺪْ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻪُ ﻳَﻨْﺰِﻝُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰُ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡِ ﺍﻟﺸَّﺪِﻳﺪِ
ﺍﻟْﺒَﺮْﺩِ، ﻓَﻴَﻔْﺼِﻢُ ﻋَﻨْﻪُ ﻭَﺇِﻥَّ ﺟَﺒِﻴﻨَﻪُ ﻟَﻴَﺘَﻔَﺼَّﺪُ ﻋَﺮَﻗًﺎ .
বাংলা অনুবাদটি পড়ে নিনঃ
হারিস ইব্নু হিশাম (রাঃ) আল্লাহর রসূল
(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে
জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনার
নিকট ওয়াহী কিরূপে আসে?’ আল্লাহর রসূল
(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বললেনঃ [কোন কোন সময় তা ঘন্টা বাজার মত
আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর
সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় এবং তা শেষ হতেই
মালাক (ফেরেশতা) যা বলেন তা আমি মুখস্ত
করে নেই, আবার কখনো মালাক মানুষের রূপ
ধারণ করে আমার সাথে কথা বলেন। তিনি যা
বলেন আমি তা মুখস্ত করে নেই।] ‘আয়িশা
(রাঃ) বলেন, আমি তীব্র শীতের সময় ওয়াহী
নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওয়াহী
শেষ হলেই তাঁর ললাট হতে ঘাম ঝরে পড়ত।
হাদিস নং ০৩
ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ، ﻗَﺎﻝَ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺍﻟﻠَّﻴْﺚُ، ﻋَﻦْ ﻋُﻘَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ
ﺷِﻬَﺎﺏٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﺑْﻦِ ﺍﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺃُﻡِّ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ، ﺃَﻧَّﻬَﺎ ﻗَﺎﻟَﺖْ
ﺃَﻭَّﻝُ ﻣَﺎ ﺑُﺪِﺉَ ﺑِﻪِ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰِ
ﺍﻟﺮُّﺅْﻳَﺎ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤَﺔُ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨَّﻮْﻡِ، ﻓَﻜَﺎﻥَ ﻻَ ﻳَﺮَﻯ ﺭُﺅْﻳَﺎ ﺇِﻻَّ ﺟَﺎﺀَﺕْ ﻣِﺜْﻞَ ﻓَﻠَﻖِ
ﺍﻟﺼُّﺒْﺢِ، ﺛُﻢَّ ﺣُﺒِّﺐَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟْﺨَﻼَﺀُ، ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻳَﺨْﻠُﻮ ﺑِﻐَﺎﺭِ ﺣِﺮَﺍﺀٍ ﻓَﻴَﺘَﺤَﻨَّﺚُ ﻓِﻴﻪِ
ـ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﺘَّﻌَﺒُّﺪُ ـ ﺍﻟﻠَّﻴَﺎﻟِﻲَ ﺫَﻭَﺍﺕِ ﺍﻟْﻌَﺪَﺩِ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳَﻨْﺰِﻉَ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻫْﻠِﻪِ،
ﻭَﻳَﺘَﺰَﻭَّﺩُ ﻟِﺬَﻟِﻚَ، ﺛُﻢَّ ﻳَﺮْﺟِﻊُ ﺇِﻟَﻰ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔَ، ﻓَﻴَﺘَﺰَﻭَّﺩُ ﻟِﻤِﺜْﻠِﻬَﺎ، ﺣَﺘَّﻰ ﺟَﺎﺀَﻩُ
ﺍﻟْﺤَﻖُّ ﻭَﻫُﻮَ ﻓِﻲ ﻏَﺎﺭِ ﺣِﺮَﺍﺀٍ، ﻓَﺠَﺎﺀَﻩُ ﺍﻟْﻤَﻠَﻚُ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺍﻗْﺮَﺃْ . ﻗَﺎﻝَ ” ﻣَﺎ ﺃَﻧَﺎ
ﺑِﻘَﺎﺭِﺉٍ ”. ﻗَﺎﻝَ ” ﻓَﺄَﺧَﺬَﻧِﻲ ﻓَﻐَﻄَّﻨِﻲ ﺣَﺘَّﻰ ﺑَﻠَﻎَ ﻣِﻨِّﻲ ﺍﻟْﺠَﻬْﺪَ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺭْﺳَﻠَﻨِﻲ
ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺍﻗْﺮَﺃْ . ﻗُﻠْﺖُ ﻣَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﺑِﻘَﺎﺭِﺉٍ . ﻓَﺄَﺧَﺬَﻧِﻲ ﻓَﻐَﻄَّﻨِﻲ ﺍﻟﺜَّﺎﻧِﻴَﺔَ ﺣَﺘَّﻰ ﺑَﻠَﻎَ
ﻣِﻨِّﻲ ﺍﻟْﺠَﻬْﺪَ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺭْﺳَﻠَﻨِﻲ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺍﻗْﺮَﺃْ . ﻓَﻘُﻠْﺖُ ﻣَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﺑِﻘَﺎﺭِﺉٍ . ﻓَﺄَﺧَﺬَﻧِﻲ
ﻓَﻐَﻄَّﻨِﻲ ﺍﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔَ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺭْﺳَﻠَﻨِﻲ ﻓَﻘَﺎﻝَ {ﺍﻗْﺮَﺃْ ﺑِﺎﺳْﻢِ ﺭَﺑِّﻚَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻖَ *
ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻹِﻧْﺴَﺎﻥَ ﻣِﻦْ ﻋَﻠَﻖٍ * ﺍﻗْﺮَﺃْ ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﺍﻷَﻛْﺮَﻡُ} ”. ﻓَﺮَﺟَﻊَ ﺑِﻬَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳَﺮْﺟُﻒُ ﻓُﺆَﺍﺩُﻩُ، ﻓَﺪَﺧَﻞَ ﻋَﻠَﻰ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔَ ﺑِﻨْﺖِ
ﺧُﻮَﻳْﻠِﺪٍ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ﻓَﻘَﺎﻝَ ” ﺯَﻣِّﻠُﻮﻧِﻲ ﺯَﻣِّﻠُﻮﻧِﻲ ”. ﻓَﺰَﻣَّﻠُﻮﻩُ ﺣَﺘَّﻰ
ﺫَﻫَﺐَ ﻋَﻨْﻪُ ﺍﻟﺮَّﻭْﻉُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟِﺨَﺪِﻳﺠَﺔَ ﻭَﺃَﺧْﺒَﺮَﻫَﺎ ﺍﻟْﺨَﺒَﺮَ ” ﻟَﻘَﺪْ ﺧَﺸِﻴﺖُ
ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻔْﺴِﻲ ”. ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔُ ﻛَﻼَّ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﻳُﺨْﺰِﻳﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺑَﺪًﺍ، ﺇِﻧَّﻚَ
ﻟَﺘَﺼِﻞُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻢَ، ﻭَﺗَﺤْﻤِﻞُ ﺍﻟْﻜَﻞَّ، ﻭَﺗَﻜْﺴِﺐُ ﺍﻟْﻤَﻌْﺪُﻭﻡَ، ﻭَﺗَﻘْﺮِﻱ ﺍﻟﻀَّﻴْﻒَ،
ﻭَﺗُﻌِﻴﻦُ ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻮَﺍﺋِﺐِ ﺍﻟْﺤَﻖِّ . ﻓَﺎﻧْﻄَﻠَﻘَﺖْ ﺑِﻪِ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔُ ﺣَﺘَّﻰ ﺃَﺗَﺖْ ﺑِﻪِ
ﻭَﺭَﻗَﺔَ
ﺑْﻦَ ﻧَﻮْﻓَﻞِ ﺑْﻦِ ﺃَﺳَﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟْﻌُﺰَّﻯ ﺍﺑْﻦَ ﻋَﻢِّ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔَ ـ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺍﻣْﺮَﺃً ﺗَﻨَﺼَّﺮَ
ﻓِﻲ ﺍﻟْﺠَﺎﻫِﻠِﻴَّﺔِ، ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻳَﻜْﺘُﺐُ ﺍﻟْﻜِﺘَﺎﺏَ ﺍﻟْﻌِﺒْﺮَﺍﻧِﻲَّ، ﻓَﻴَﻜْﺘُﺐُ ﻣِﻦَ ﺍﻹِﻧْﺠِﻴﻞِ
ﺑِﺎﻟْﻌِﺒْﺮَﺍﻧِﻴَّﺔِ ﻣَﺎ ﺷَﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥْ ﻳَﻜْﺘُﺐَ، ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺷَﻴْﺨًﺎ ﻛَﺒِﻴﺮًﺍ ﻗَﺪْ ﻋَﻤِﻲَ ـ
ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ ﻟَﻪُ ﺧَﺪِﻳﺠَﺔُ ﻳَﺎ ﺍﺑْﻦَ ﻋَﻢِّ ﺍﺳْﻤَﻊْ ﻣِﻦَ ﺍﺑْﻦِ ﺃَﺧِﻴﻚَ . ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻭَﺭَﻗَﺔُ
ﻳَﺎ ﺍﺑْﻦَ ﺃَﺧِﻲ ﻣَﺎﺫَﺍ ﺗَﺮَﻯ ﻓَﺄَﺧْﺒَﺮَﻩُ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ
ﺧَﺒَﺮَ ﻣَﺎ ﺭَﺃَﻯ . ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻭَﺭَﻗَﺔُ ﻫَﺬَﺍ ﺍﻟﻨَّﺎﻣُﻮﺱُ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻧَﺰَّﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻰ
ﻣُﻮﺳَﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳَﺎ ﻟَﻴْﺘَﻨِﻲ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺟَﺬَﻋًﺎ، ﻟَﻴْﺘَﻨِﻲ ﺃَﻛُﻮﻥُ
ﺣَﻴًّﺎ ﺇِﺫْ ﻳُﺨْﺮِﺟُﻚَ ﻗَﻮْﻣُﻚَ . ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ”
ﺃَﻭَﻣُﺨْﺮِﺟِﻲَّ ﻫُﻢْ ”. ﻗَﺎﻝَ ﻧَﻌَﻢْ، ﻟَﻢْ ﻳَﺄْﺕِ ﺭَﺟُﻞٌ ﻗَﻂُّ ﺑِﻤِﺜْﻞِ ﻣَﺎ ﺟِﺌْﺖَ ﺑِﻪِ ﺇِﻻَّ
ﻋُﻮﺩِﻱَ، ﻭَﺇِﻥْ ﻳُﺪْﺭِﻛْﻨِﻲ ﻳَﻮْﻣُﻚَ ﺃَﻧْﺼُﺮْﻙَ ﻧَﺼْﺮًﺍ ﻣُﺆَﺯَّﺭًﺍ . ﺛُﻢَّ ﻟَﻢْ ﻳَﻨْﺸَﺐْ
ﻭَﺭَﻗَﺔُ ﺃَﻥْ ﺗُﻮُﻓِّﻲَ ﻭَﻓَﺘَﺮَ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰُ .
বাংলা অনুবাদটি পড়ে নিন দয়া করে।
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া
সাল্লাম)- এর নিকট সর্বপ্রথম যে ওয়াহী
আসে, তা ছিল নিদ্রাবস্থায় বাস্তব
স্বপ্নরূপে। যে স্বপ্নই তিনি দেখতেন তা
একেবারে প্রভাতের আলোর ন্যায় প্রকাশিত
হতো। অতঃপর তাঁর নিকট নির্জনতা পছন্দনীয়
হয়ে দাঁড়ায় এবং তিনি ‘হেরা’র গুহায়
নির্জনে অবস্থান করতেন। আপন পরিবারের
নিকট ফিরে এসে কিছু খাদ্যসামগ্রী সঙ্গে
নিয়ে যাওয়ার পূর্বে- এভাবে সেখানে তিনি
এক নাগাড়ে বেশ কয়েক দিন ‘ইবাদাতে মগ্ন
থাকতেন। অতঃপর খাদীজা (রাঃ)-এর নিকট
ফিরে এসে আবার একই সময়ের জন্য কিছু
খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যেতেন। এভাবে ‘হেরা’ গুহায়
অবস্থানকালে তাঁর নিকট ওয়াহী আসলো।
তাঁর নিকট ফেরেশতা এসে বললো, ‘পাঠ করুন’।
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া
সাল্লাম) বলেনঃ [“আমি বললাম, ‘আমি পড়তে
জানি না।] তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অতঃপর সে আমাকে
জড়িয়ে ধরে এমন ভাবে চাপ দিলো যে,
আমার খুব কষ্ট হলো। অতঃপর সে আমাকে
ছেড়ে দিয়ে বললো, ‘পাঠ করুন’। আমি
বললামঃ আমি তো পড়তে জানি না’। সে
দ্বিতীয় বার আমাকে জড়িয়ে ধরে এমনভাবে
চাপ দিলো যে, আমার খুব কষ্ট হলো। অতঃপর
সে আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো, ‘পাঠ করুন’।
আমি উত্তর দিলাম, ‘আমি তো পড়তে জানি
না’। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়া সাল্লাম) বলেন, অতঃপর তৃতীয়বারে
তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে চাপ দিলেন।
তারপর ছেড়ে দিয়ে বললেন, “পাঠ করুন
আপনার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।
যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত
পিন্ড থেকে, পাঠ করুন, আর আপনার রব
অতিশয় দয়ালু”- (সূরা আলাক্ব ৯৬/১-৩)। অতঃপর
এ আয়াত নিয়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- প্রত্যাবর্তন করলেন।
তাঁর হৃদয় তখন কাঁপছিল। তিনি খাদীজা বিন্তু
খুওয়ায়লিদের নিকট এসে বললেন, ‘আমাকে
চাদর দ্বারা আবৃত কর’, ‘আমাকে চাদর দ্বারা
আবৃত কর’। তাঁরা তাঁকে চাদর দ্বারা আবৃত
করলেন। এমনকি তাঁর শংকা দূর হলো। তখন
তিনি খাদীজা (রাঃ) এর নিকট ঘটনাবৃত্তান্ত
জানিয়ে তাঁকে বললেন, আমি আমার
নিজেকে নিয়ে শংকা বোধ করছি। খাদীজা
(রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, কখনই নয়।
আল্লাহ আপনাকে কখনো লাঞ্ছিত করবেন
না। আপনি তো আত্মীয়–স্বজনের সঙ্গে
সদাচরণ করেন, অসহায় দুস্থদের দায়িত্ব বহন
করেন, নিঃস্বকে সহযোগিতা করেন,
মেহমানের আপ্যায়ন করেন এবং হক পথের
দুর্দশাগ্রস্থকে সাহায্য করেন। অতঃপর তাঁকে
নিয়ে খাদীজা (রাঃ) তাঁর চাচাত ভাই
ওয়ারাকাহ ইব্নু নাওফাল ইব্নু ‘আবদুল আসাদ
ইব্নু ‘আবদুল ‘উযযাহ’র নিকট গেলেন, যিনি
অন্ধকার যুগে ‘ঈসায়ী ধর্ম গ্রহন করেছিলেন।
যিনি ইবরানী ভাষায় লিখতে পারতেন এবং
আল্লাহর তাওফীক অনুযায়ী ইবরানী ভাষায়
ইনজীল হতে ভাষান্তর করতেন। তিনি ছিলেন
অতি বৃদ্ধ এবং অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
খাদীজা (রাঃ) তাঁকে বললেন, ‘হে চাচাত
ভাই! আপনার ভাতিজার কথা শুনুন’।
ওয়ারাকাহ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন,
‘ভাতিজা! তুমি কী দেখ?’ আল্লাহর রসূল
(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা
দেখেছিলেন, সবই বর্ণনা করলেন। তখন
ওয়ারাকাহ তাঁকে বললেন, এটা সেই
বার্তাবাহক যাকে আল্লাহ মূসা (‘আঃ)- এর
নিকট পাঠিয়েছিলেন। আফসোস! আমি যদি
সেদিন যুবক থাকতাম। আফসোস ! আমি যদি
সেদিন জীবিত থাকতাম, যেদিন তোমার কওম
তোমাকে বহিষ্কার করবে’। আল্লাহর রসূল
(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বললেন, [‘তারা কি আমাকে বের করে দেবে?’]
তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তুমি যা নিয়ে এসেছো
অনুরূপ (ওয়াহী) কিছু যিনিই নিয়ে এসেছেন
তাঁর সঙ্গেই বৈরিতাপূর্ণ আচরণ করা হয়েছে।
সেদিন যদি আমি থাকি, তবে তোমাকে
জোরালোভাবে সাহায্য করব। এর কিছুদিন পর
ওয়ারাকাহ (‘আঃ) ইন্তিকাল করেন। আর
ওয়াহীর বিরতি ঘটে।
হাদিস নং
০৩(বাকি অংশ)
ﻗَﺎﻝَ ﺍﺑْﻦُ ﺷِﻬَﺎﺏٍ ﻭَﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺃَﺑُﻮ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﺃَﻥَّ ﺟَﺎﺑِﺮَ ﺑْﻦَ
ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻷَﻧْﺼَﺎﺭِﻱَّ، ﻗَﺎﻝَ ـ ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ ﻋَﻦْ ﻓَﺘْﺮَﺓِ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ـ
ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ ” ﺑَﻴْﻨَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﺃَﻣْﺸِﻲ، ﺇِﺫْ ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺻَﻮْﺗًﺎ، ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀِ، ﻓَﺮَﻓَﻌْﺖُ
ﺑَﺼَﺮِﻱ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﻟْﻤَﻠَﻚُ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺟَﺎﺀَﻧِﻲ ﺑِﺤِﺮَﺍﺀٍ ﺟَﺎﻟِﺲٌ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﺮْﺳِﻲٍّ ﺑَﻴْﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭْﺽِ، ﻓَﺮُﻋِﺒْﺖُ ﻣِﻨْﻪُ، ﻓَﺮَﺟَﻌْﺖُ ﻓَﻘُﻠْﺖُ ﺯَﻣِّﻠُﻮﻧِﻲ . ﻓَﺄَﻧْﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺗَﻌَﺎﻟَﻰ {ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟْﻤُﺪَّﺛِّﺮُ * ﻗُﻢْ ﻓَﺄَﻧْﺬِﺭْ} ﺇِﻟَﻰ ﻗَﻮْﻟِﻪِ {ﻭَﺍﻟﺮُّﺟْﺰَ ﻓَﺎﻫْﺠُﺮْ}
ﻓَﺤَﻤِﻲَ ﺍﻟْﻮَﺣْﻰُ ﻭَﺗَﺘَﺎﺑَﻊَ ”. ﺗَﺎﺑَﻌَﻪُ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﺳُﻒَ ﻭَﺃَﺑُﻮ ﺻَﺎﻟِﺢٍ .
ﻭَﺗَﺎﺑَﻌَﻪُ ﻫِﻼَﻝُ ﺑْﻦُ ﺭَﺩَّﺍﺩٍ ﻋَﻦِ ﺍﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ . ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﻭَﻣَﻌْﻤَﺮٌ ” ﺑَﻮَﺍﺩِﺭُﻩُ
.”
বাংলা অনুবাদ পড়ুন
ওয়াহী স্থগিত হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন
যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা আমি হাঁটছি,
হঠাৎ আসমান থেকে একটা শব্দ শুনতে পেয়ে
আমার দৃষ্টিকে উপরে তুললাম। দেখলাম, সেই
ফেরেশতা, যিনি হেরা গুহায় আমার নিকট
এসেছিলেন, আসমান ও যমীনের মাঝে একটি
আসনে উপবিষ্ট। এতে আমি শংকিত হলাম।
অবিলম্বে আমি ফিরে এসে বললাম, ‘আমাকে
চাদর দ্বারা আবৃত কর’, ‘আমাকে চাদর দ্বারা
আবৃত কর’। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ
করলেন, “হে বস্ত্রাবৃত রসূল! (১) উঠুন, সতর্ক
করুন; আর আপনার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করুন;
এবং স্বীয় পরিধেয় বস্ত্র পবিত্র রাখুন; (৫)
এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন”। (সূরা
মুদ্দাসসির ৭৪/১-৫) অতঃপর ওয়াহী পুরোদমে
ধারাবাহিক অবতীর্ণ হতে লাগল। ‘আবদুল্লাহ
ইব্নু ইউসূফ (রহঃ) ও আবূ সালেহ (রহঃ) অনুরূপ
বর্ণনা করেছেন। হিলাল ইব্নু রাদদাদ (রহঃ)
যুহরী (রহঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইউনুস ও মা’মার ﻓﻮﺍﺩﻩ এর স্থলে ﺑَﻮَﺍﺩِﺭُﻩُ শব্দ
উল্লেখ করেছেন।
আজ এই পর্যন্তই।
আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply on TipsRain.Com

Related Posts

[পর্ব ০৩] আসুন সহিহ বুখারী হাদিস গুলো পড়ি ধারাবাহিক ভাবে। দয়া করে আল্লহর নামে পড়ে দেখুন।

Posted By: - 2 weeks ago - No Comments

আসসালামু আলাইকুম। আজ আজি এই পোস্টের তৃতীয় পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছি।বেশি কিছু বলবো না। চলুন শুরু করা যাক। হাদিস নং...
[পর্ব ০২] আসুন সহিহ বুখারী হাদিস গুলো পড়ি ধারাবাহিক ভাবে। দয়া করে আল্লহর নামে পড়ে দেখুন।

Posted By: - 2 weeks ago - No Comments

আসসালামু আলাইকুম। আজ আজি এই পোস্টের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছি।বেশি কিছু বলবো না। চলুন শুরু করা যাক। ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﻮﺳَﻰ...
(ইসলামিক টিপস) জেনেনিন জুম্মার দিনের কিছু ফজিলত সমূহ।।

Posted By: - 3 months ago - 1 Comment

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম- উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য জুম’আর দিনের ফযীলত সমূহ ১) সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিন হল...
জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহের ব্যাপারে, কেন এত মিথ্যাচার (লেখকঃড.ফিরোজ মাহবুব কামাল)

Posted By: - 3 months ago - No Comments

[h2]কেন এত মিথ্যাচার?[/h2] আল্লাহর আর কোন হুকুম বা বিধানের বিরুদ্ধে এত মিথ্যাচার,এত কুৎসা ও এত হামলা হয়নি,যতটা হয়েছে জিহাদের বিরুদ্ধে।...
এই উম্মাহর মধ্যে একটি দল সিন্ধ ও হিন্দের দিকে অগ্রসর হবে

Posted By: - 3 months ago - 2 Comments

(১) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এর প্রথম হাদিস সর্বপ্রথম হাদিসটি আবু হুরায়রা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত । তিনি বলেন আমার অন্তরঙ্গ...